বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৯ August ২০১৫

অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স

মোট ফায়ার স্টেশন

সিটি কর্পোরেশন পর্যায়ে স্টেশনের সংখ্যা -    ৪২ টি

জেলা পর্যায়ে স্টেশনের সংখ্যা                -   ৫৮ টি

উপজেলা পর্যায়ে স্টেশনের সংখ্যা           - ১৮৭ টি

------------------------------------------------------

সর্বমোট চালুকৃত স্টেশন                       - ২৮৭ টি

 
ক্রমিক নং বিভাগের নাম ’এ’-শ্রেণীভুক্ত স্টেশন ’বি’-শ্রেণীভুক্ত স্টেশন ’সি’-শ্রেণীভুক্ত স্টেশন নদী ফায়ার স্টেশন ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা  
ঢাকা বিভাগ ২২ ৩৪ ২০ ৮১  
চট্টগ্রাম বিভাগ ১৮ ২৭ ১৫ ৬২  
রাজশাহী বিভাগ ২২ -- ৩৪  
খুলনা বিভাগ ২২ ৩৫  
বরিশাল বিভাগ ১৭ ২৭  
সিলেট বিভাগ ১১ -- ১৬  
  রংপুর বিভাগ ১৫ ১২ -- ৩২  
মোট ৫৭ ১৪৮ ৭৩ ২৮৭  

 ৪ টি উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে ২৬২ টি ফায়ার স্টেশন স্থাপন কার্যক্রম চলমান। প্রকল্পসমূহ সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হলে দেশে মোট ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা হবে- ৫৪৯ টি।

অধিদপ্তরের গাড়ী পাম্পের বিবরণী

 

ক্রমিক নং

       গাড়ী পাম্পের নাম

    প্রাধিকার

  বিদ্যমান সংখ্যা

১।

স্নোরকেল

৯টি

৪টি

২।

টিটিএল

৯টি

১টি

৩।

ইমারজেন্সী টেন্ডার

১০টি

১১টি

৪।

পানিবাহী গাড়ী

৩০১টি

২৯৯টি

৫।

পাম্প টানা গাড়ী 

২৮০টি

২৮৫টি

৭।

 পোর্টেবল পাম্প

৫৭০টি

৫৭০টি

৮।

বিশেষ পানিবাহী গাড়ী

৯টি

১১টি

৯।

 ফোম টেন্ডার

৯টি

১২টি

১০।

ব্রেকডাউন ভ্যান

৯টি

৪টি

১১।

লাইট ইউনিট

৯টি

১৩টি

১২।

কেমিক্যাল টেন্ডার

৯টি

৫টি

১৩।

ফায়ার ফ্লোট

১১টি

৩টি

১৪।

রেসকিউ স্পীড বোট

১১টি

২টি

১৫।

কোল্ড কাট কোবরা

 

১৬।

টু হুইলার ওয়াটার মিষ্ট

 

১৫

১৭।

ফর্ক লিফ্‌ট

১০টি

১৮।

ক্রেন

১০টি

১৯।

ফায়ার এন্ড রেসকিউ কমান্ড ভেহিক্যাল

২৮টি

৩৩

২০।

এ্যাম্বুলেন্স

 

১২৫

২১।

স্পীড বোট এ্যাম্বুলেন্স

 

৫টি

স্টেশন কর্তৃক সেবাসমূহ

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনসমূহ  হতে যে সকল সেবা প্রদান করা হয় সেগুলো বেশির ভাগই অগ্নি-নির্বাপন, উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা ও রোগী পরিবহন সম্পর্কিত। বাসাবাড়ি, ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান, শিল্প কারখানাসহ যে কোন স্থানে সকল প্রকার অগ্নি-নির্বাপনে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর নিয়োজিত সদস্যগণ সদা প্রস্তুত। যেহেতু অগ্নি নির্বাপনের চেয়ে অগ্নি-প্রতিরোধ উত্তম সেহেতু অগ্নি-প্রতিরোধের পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে বিভিন্ন শিল্প-কারখানা, স্থাপনাসমূহে ব্যবহৃত দাহ্য পদার্থের মাত্রানুযায়ী সম্ভাব্য অগ্নিঝুঁকি বিবেচনা করে বিদ্যমান অগ্নি নির্বাপনী ব্যবস্থা পরিমাপ করে যথার্থতা সাপেক্ষে মানোন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করে থাকে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে অগ্নি নির্বাপন ও প্রতিরোধে সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারী/বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে, জনসম্মুখে প্রশিক্ষণ ও মহড়ার আয়োজন করে থাকে। এছাড়া অগ্নি-দূর্ঘটনা সহ যে কোন প্রকার দূর্ঘটনায় আটকে পড়া বিপন্ন মানুষদের আধুনিক যন্ত্রপাতির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে অতি অল্প সময়ে কার্যকরভাবে উদ্ধারে সদা তৎপর এবং উদ্ধার পরবর্তী  আহতসেবা প্রদান ও আহতদের দ্রুত হাসপাতালে প্রেরণে ভূমিকা পালন করে থাকে। নৌ-দূর্ঘটনায় বা যেকোন প্রকারে পানিতে ডুবে যাওয়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের রয়েছে প্রশিক্ষিত ডুবুরী বাহিনী। 

প্রশিক্ষণ ও মহড়া

অগ্নি দূর্ঘটনা প্রতিরোধ ও মোকাবেলায় কার্যকর ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে ব্যক্তি/প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর পরিচালনায় বিভিন্ন ধরণের স্থাপনা/প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ ও মহড়ার আয়োজন করে থাকে। যা যেকোন প্রকার অগ্নিদূর্ঘটনার সূচনালগ্নে আগুন নির্বাপনে কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। বর্তমানে বিভিন্ন পরিসংখ্যান থেকে পরিলক্ষিত হচ্ছে যে, সাধারণ মানুষ প্রশিক্ষণ ও মহড়া থেকে অর্জিত জ্ঞান পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রকার অগ্নি-দূর্ঘটনায় ফলপ্রসু ভাবে প্রয়োগে সক্ষম হচ্ছেন, ফলে আগুন ব্যাপক রূপ নিতে পারেনা ও সহজেই নির্বাপিত হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। প্রশাসনিক ও অপারেশন কর্মকান্ডের যোগাযোগ, সমন্বয় ও সহযোগীতার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ তার কার্যক্রম পরিচালনা করে। বেতার ও টেলি যোগাযোগের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এ জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক যোগাযোগের প্রবেশদ্ধার হিসেবে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষকে অবহিত করা হয়। দূর্ঘটনা ও দূর্যোগে জনগনের আহ্ববানে সর্বপ্রথম সাড়া দেয় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ এবং দূর্ঘটনা পরবর্তী ইউনিটকে সার্বিক সহযোগীতা ও দিক নির্দেশনা প্রদাণ করে। দেশ ও জনগনের প্রান ও সম্পদ রক্ষায় ত্বরিত সিদ্ধান্ত গ্রহন ও সঠিক বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ নিরলস ভাবে কাজ করে। প্রতি মুহূর্তে প্রতিক্ষনে ২৪*৭ হিসেবে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে জনগনের পাশে থাকে সবসময়। সারা দেশের ৫ (পাঁচ) টি বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে সারা বাংলাদেশের সাথে অটুট যোগাযোগ রক্ষা করে। একজন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নের্তৃত্বে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ পরিচালিত হয়। যা ২৪ ঘন্টা জনগনের পাশে থাকে সদা জাগ্রত। যাহাকে সহযোগিতা করে ৩(তিন) জন মবিলাইজিং অফিসার, ৬(ছয়) জন টেলিফোন অপারেটর, ৬(ছয়) জন ওয়ালেজ অপারেটর এবং সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন পরিচালক (অপাঃ ও মেইন)। গতি, সেবা, ত্যাগ এই তিন মূলমন্ত্রে উজ্জিবিত কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ একটি জনগনের আস্থার স্থান হিসেবে প্রমানিত হয়েছে। যা সম্ভব হয়েছে সকলের সহযোগীতা ও সংশ্লিষ্টদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়।

সেবা সমূহঃ

•    প্রশাসনিক নির্দেশনা বিভিন্ন দপ্তরে পৌছান;
•    অপারেশন কর্মকান্ড নির্দেশনা;

•    যে কোন দূর্ঘটনায় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে সংবাদ আসলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ তথা সংশ্লিষ্ট স্টেশনকে অবহিত করা এবং গমনকৃত গাড়ী পাম্প এর   সাথে যোগাযোগ করতঃ সামগ্রীক সহযোগীতা প্রদান;

•    দূর্ঘটনা পরবর্তী অবস্থা পর্যবেক্ষন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার্থে নির্দেশনা প্রদান;
•    গণমাধ্যম এর সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ ও চাহিদা মোতাবেক তথ্য সহযোগীতা প্রদান;
•    সরকারী বিভিন্ন জরুরী সংস্থার সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা;
•    জনগনের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন তথ্য প্রদান যা জন সচেতনতা সৃষ্টিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে;
•    দূর্যোগ কালীন সময় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাথে সহযোগিতা করার্থে যোগাযোগ রক্ষা করা;
•    প্রত্যহিক বেতার যোগাযোগের মাধ্যমে ষ্টেশন গুলোর গাড়ী পাম্প ও জনবলের অবস্থার তথ্য ও সমস্যা থাকলে তা সমাধানে ব্যবস্থা গ্রহণ করা;
•    যেকোন অগ্নি/দূর্ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ষ্টেশন কাজ করার পর ক্ষয়ক্ষতির বিবরনী অত্র দপ্তরে রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ থাকে;
•    কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ হইতে সারা বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ষ্টেশনের নাম্বার সমূহ পাওয়া যায়।


Share with :